Header Ads Widget

Responsive Advertisement

ইকুয়েডরের সঙ্গে মেক্সিকোর সম্পর্ক ছিন্ন


 ইকুয়েডরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে মেক্সিকো। এর আগে কুইটোতে মেক্সিকান দূতাবাসে হামলা চালায় পুলিশ। তারপরই মেক্সিকোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয় মেক্সিকো। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। ভাইস প্রেসিডেন্ট জর্জ গ্লাসকে গ্রেপ্তার করতেই মেক্সিকান দূতাবাসে ওই অভিযান চালায় পুলিশ। খবরে বলা হয়, ইকুয়েডরের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জর্জ গ্লাসকে গ্রেপ্তার করতে রাজধানী কুইটোতে অবস্থিত  মেক্সিকান দূতাবাসে পুলিশের হামলার পর ইকুয়েডরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করছে  মেক্সিকো। মেক্সিকান প্রেসিডেন্ট আঁন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডর বলেছেন, তারা (ইকুয়েডর) ‘আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন’ করে দূতাবাসে ‘জোরপূর্বক প্রবেশ’ করেছে। দুর্নীতির অভিযোগে ইকুয়েডর কর্তৃপক্ষ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার পর দেশটির সাবেক ভাইস  প্রেসিডেন্ট জর্জ গ্লাস গত বছরের ডিসেম্বরে মেক্সিকান দূতাবাসে আশ্রয়  নেন। গ্লাসের আইনজীবী বলেছেন, তিনি নির্দোষ।

তবে দূতাবাসে হামলা চালিয়ে গ্লাসকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ পাহারায় তাকে গুয়াকিল শহরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে তিনি সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় কারাগারে বিচারের অপেক্ষায় থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। জর্জ গ্লাস ২০১৩ সাল থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ইকুয়েডরের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের কারণে তাকে তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছিল। সেই বছর পরে ব্রাজিলিয়ান নির্মাণ জায়ান্ট ওডেব্রেখটে দুর্নীতির অভিযোগে তাকে ছয় বছরের কারাদণ্ড  দেয়া হয়। প্রসিকিউটররা বলেছেন, তিনি ১ কোটি ৩৫ লাখ ডলার ঘুষ নিয়েছেন। নভেম্বরে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। কিন্তু ইকুয়েডর কর্তৃপক্ষ দুর্নীতির আরও অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে আরেকটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে এবং এরপরই গ্লাস রাজধানী কুইটোর  মেক্সিকান দূতাবাসে আশ্রয় নেন। শুক্রবার মেক্সিকো জানায়, তারা পরিস্থিতির ‘পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণের পরে’ জর্জ গ্লাসকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে। তবে এই পদক্ষেপকে ইকুয়েডর অবৈধ হিসেবে মনে করছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ